প্রত্যেকটি স্মার্টফোনে ডিফল্ট হিসেবে একটি কিবোর্ড থাকে। তবে সেগুলোতে উল্লেখযোগ্য তেমন কোন ফিচারস থাকে না। গুগল প্লে স্টোরে নানা ধরনের কিবোর্ড রয়েছে। তার মধ্যে থেকে আজকে এমন একটা কিবোর্ড নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করব যে এটি ব্যবহারে আপনি অনেক ধরনের সুবিধা পাবেন। এছাড়াও এতে রয়েছে নানা ধরনের ফিচারস সমূহ। Multi-language টাইপিং সিস্টেম একই পদ্ধতি কি কি রয়েছে সে সকল বিষয় নিয়ে আজকে আলোচনা করব।



অ্যাপ্লিকেশনটির নাম: ( App name)


Microsoft SwiftKey keyboard অ্যাপসটি এখন পর্যন্ত 500 মিলিয়ন বারেরও বেশি ইন্সটল হয়েছে মাত্র 11 এমবির এই অ্যাপ্লিকেশনটির রেটিং 4.3। এছাড়াও এতে রয়েছে প্রায় 13 মিলিয়ন রিভিউ। অ্যাপ্লিকেশনটি গুগল প্লে স্টোরে খুব ভালো অবস্থানে রয়েছে। মনমুগ্ধকর ফিচারস নিয়ে অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করতে আপনাকে বাধ্য হতে হবে।




যে সকল সুবিধা রয়েছে অ্যাপসটিতে: ( Features of the Microsoft SwiftKey keyboard)



অ্যাকাউন্ট: ( Account )


অ্যাপ্লিকেশনটির মনমুগ্ধকর সব ফিচারস ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই এখানে একটি অ্যাকাউন্ট করতে হবে। আর একাউন্ট করলে সুবিধা হচ্ছে আপনি বিভিন্ন ফিচারস আনলক করার সাথে ক্লাউড ড্রাইভে আপনার টাইপিং এক্সপেরিয়েন্স সেভ হতে থাকবে। এতে পরবর্তীতে আপনি যে কোন ডিভাইসে এই কিবোর্ড ইন্সটল করলে এবং উক্ত অ্যাকাউন্ট থেকে লগইন করলে কিবোর্ড দিতে আগের এক্সপেরিয়েন্স পাবেন। শুধুমাত্র একটি মাইক্রোসফট একাউন্ট অথবা যেকোনো ধরনের ইমেইল থাকলেই আপনি একটি একাউন্ট করে নিতে পারবেন।



ল্যাঙ্গুয়েজ: ( Languages)


কিবোর্ড টি তে রয়েছে অগণিত ভাষা সমৃদ্ধ কিবোর্ড। আপনি যে ভাষায় কিবোর্ড সিলেক্ট করবেন সে ভাষার রয়েছে বিভিন্ন ধরনের নিজস্ব স্টাইলের কিবোর্ড। আপনার পছন্দমত যেকোনো একটি স্টাইল পছন্দ করে নিলেই হবে।



থিমস: ( Themes)


ফ্রিতে কয়েক হাজার রকমের থিমস ব্যবহার করতে পারবেন এছাড়াও রয়েছে কাস্টম থিম ব্যবহার করার সুবিধা একাধারে অনেকগুলো থিম পছন্দ হলে সেগুলো সেভ করেও রাখতে পারবেন।



টাইপিং: ( Typing)


কিবোর্ডে টাইপিং করার সময় আপনি যদি সেটাকে আপনার সুবিধামতো কাস্টমাইজ করতে চান তাহলে এই অপশনটি আপনার জন্য বেস্ট একটি অপশন। আপনি চাইলে এখান থেকে টাইপ করার সময় অটো কারেক্ট স্পেলিং অপশনটি অন করে দিতে পারেন। এছাড়াও এখানে রয়েছে কুইক প্রেডিকশন ইনসার্ট, কুইক পিরিওড, আরো রয়েছে অটো ক্যাপিটালাইজ, কার্সার কন্ট্রোল সহ আরো নানা রকম ফিচারস। নিয়মিত ব্যবহার করলে এগুলো সব কিছুই ধীরে ধীরে বুঝে যাবেন।



ইমোজি: (Emoji)


বার্তা আদান প্রদানের সময় ইমোশন বোঝানোর জন্য ইমোজি ব্যবহার করা হয়। আর সেটি ব্যবহার করার জন্য এই কিবোর্ডে একটি সুন্দর ফাংশন রয়েছে। আপনি চাইলে সহজেই ইমোজি অপশন থেকে সেই সুবিধা গুলো নিতে পারেন।



রিচ ইনফুট: ( Rich input)


ভয়েস টাইপিং এখন খুবই জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। সময় বাঁচানোর জন্য সেরা একটি ফিচারস এই ভয়েস টাইপিং। অ্যাপ্লিকেশনটিও এই ফিচারস ব্যবহার করা হয়েছে। এটি সাথে আপনি আরও পাচ্ছেন ক্লিপবোর্ড। যার মাধ্যমে অনেকগুলো লেখা একসাথে সংরক্ষণ করা যায়। 



লেইয়ট এন্ড কী'স: ( Layouts and keys)


এর মাধ্যমে আপনি সহজেই কিবোর্ড এর সাইজ কাস্টমাইজ করতে পারবেন। এছাড়াও কিবোর্ড এর বাটন গুলো বিভিন্ন আকৃতির করতে পারবেন। এছাড়াও টাইপ করার সময় ইনপুট গুলোর প্রসেশন নিজের পছন্দমত কাস্টমাইজ করতে পারবেন।



সাউন্ড এন্ড ভাইব্রেশন: ( Sound and vibration)


এটির মাধ্যমে আপনি যখন কিবোর্ডের কি এগুলো টাইপ করবেন তখন প্রতিটা টাইপিং এর সাথে কিছু শব্দ ও ভাইব্রেশন উৎপন্ন হবে। আপনি চাইলে এই ফিচারটি অন অফ করতে পারবেন এই অপশন থেকে।



তো এই ছিল Microsoft SwiftKey keyboard সম্পর্কে আলোচনা। আপনার যদি অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে ভালো লাগে তাহলে আমাদের এই আর্টিকেলটি শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।